ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪
শিরোনাম
ট্রেন্ডিং

কামব্যাকে ইংল্যান্ডকে বিদায়, মেসির আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে

বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসেছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা।ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। ফলে বিরতিতে স্কোরলাইন ছিল ০-০।দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মরগান রজার্সের বাড়ানো ক্রসে দারুণ ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন। গোল হজমের পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় আর্জেন্টিনা। তবে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড একের পর এক অসাধারণ সেভ করে দলকে দীর্ঘ সময় এগিয়ে রাখেন।অবশেষে ৮৫তম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত পাস থেকে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে সমতাসূচক গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ।সমতায় ফেরার পর জয়ের লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ের (৯০+২ মিনিট) এক নাটকীয় মুহূর্তে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের শট ক্রসবারে লেগে মেসির সামনে চলে আসে। সেখান থেকে মেসি ডান পায়ে অসাধারণ এক ক্রস বাড়িয়ে দেন, যা লাউতারো মার্টিনেজ নিখুঁতভাবে জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে দুর্দান্ত কামব্যাক করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন। অন্যদিকে, ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের।এই জয়ের মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। পাশাপাশি শেষ চারটি বিশ্বকাপের মধ্যে এটি তাদের তৃতীয় ফাইনাল। শেষ কথা: মেসির জাদু, আর্জেন্টিনার কামব্যাক—আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালের গল্প লেখা হলো ইতিহাসের পাতায়।

পটুয়াখালীতে বাজার নিয়ে ফেরার পথে যুবদল কর্মীর ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে

পটুয়াখালী শহরের ব্রিজের উত্তর পাড় এলাকায় বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে এক যুবদল কর্মীর ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় গুরুতর আহত সোহেল (পূর্ণ পরিচয় জানা যায়নি) বর্তমানে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের প্রয়োজনীয় বাজারসামগ্রী নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন সোহেল। পথিমধ্যে ব্রিজের উত্তর পাড়ের ঢাল এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে। এরপর দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় তিনি গুরুতর জখম হয়ে সড়কের পাশে লুটিয়ে পড়েন।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার কথিত মাদক কারবারি মালিকের ছেলে রিপন ও তার কয়েকজন সহযোগী এ হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি।

পটুয়াখালীতে বাজার নিয়ে ফেরার পথে যুবদল কর্মীর ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে

অপহরণের পর ৯ বছরের সামিয়াকে হত্যা: টাঙ্গাইলে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলের সখীপুরে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, হত্যা এবং মুক্তিপণ দাবির আলোচিত মামলায় সাব্বির মিয়া (২১) নামে এক যুবককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে অপহরণ, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে আটক রাখা এবং হত্যার পর আলামত নষ্টের পৃথক অভিযোগেও তাকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আ ন ম ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত সাব্বির মিয়া টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে দাড়িয়াপুর (উত্তর) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সামিয়া আক্তার (৯) প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়।মামলার নথি অনুযায়ী, শিশুটি অপহরণকারীর কবল থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পাশের একটি ধানক্ষেতের ড্রেনে কাদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।ঘটনার পর নিজের পরিচয় গোপন রেখে একটি ইমু আইডি ব্যবহার করে সামিয়ার পরিবারের কাছে ভয়েস মেসেজের মাধ্যমে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরদিন শিশুটির বাবা সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ ধানক্ষেতের ড্রেন থেকে সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত সাব্বির মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্য পর্যালোচনা শেষে আদালত হত্যার দায়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া অপহরণের দায়ে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে আটক রাখার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং হত্যার পর আলামত নষ্টের দায়ে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ পৃথক অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, উপস্থাপিত সাক্ষ্য, আলামত ও আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই আদালত এ রায় প্রদান করেছেন। মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তারা বলেন, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেবে আদালতের এই সিদ্ধান্ত।

অপহরণের পর ৯ বছরের সামিয়াকে হত্যা: টাঙ্গাইলে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

কোন পোস্ট নেই !
নাটোরে হাসপাতালে মব সৃষ্টি ও চিকিৎসককে মারধর: প্রধান আসামি গ্রেফতার

নাটোরে হাসপাতালে মব সৃষ্টি ও চিকিৎসককে মারধর: প্রধান আসামি গ্রেফতার

নাটোরে সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সৃষ্টি, ভাঙচুর ও কর্তব্যরত চিকিৎসককে মারধরের ঘটনার প্রধান আসামি মোঃ সাকিব তরফদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল নাটোর সদর থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই নাটোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র (ম্যাটারনিটি হাসপাতাল)-এ একটি নবজাতক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক হাসপাতালে তাণ্ডব চালায়। তারা হাসপাতালের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে। একপর্যায়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহাবুজ্জামানকে মারধর করে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও সহিংস ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে।পরবর্তীতে এই ঘটনায় ভুক্তভোগী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহাবুজ্জামান বাদী হয়ে নাটোর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে নাটোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামলাটি রুজু করেন।নাটোর জেলা পুলিশ মিডিয়া সেল জানায়, মামলা দায়েরের পরপরই আসামিদের গ্রেফতারে তৎপর হয় পুলিশ। নাটোর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামি মোঃ সাকিব তরফদারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত সাকিব নাটোর সদরের আগদিঘা খাঁ পাড়া এলাকার মৃত শাহজাহান তরফদারের ছেলে।নাটোর থানার পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ও চিকিৎসকের ওপর হামলাকারী বাকি আসামিদের সনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং হাসপাতালের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

কোন পোস্ট নেই !
১১ আগস্ট ২০২৫, ০১:৪৯ এএম
ইসলামী দলগুলো একক প্রার্থী দিলে জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। আপনি কি তাই মনে করেন?

ইসলামী দলগুলো একক প্রার্থী দিলে জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। আপনি কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২১ জন

কটিয়াদী উপজেলাকে আধুনিক মডেলে রূপ দিতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরিফুর রহমান কাঞ্চন

​নির্বাচনের হাওয়া বইছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন জমজমাট। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এখন ভোটের হিসাব-নিকাশ। তবে এবারের নির্বাচনে সাধারণ ভোটার ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মুখে মুখে যার নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আরিফুর রহমান কাঞ্চন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সততা, একনিষ্ঠতা আর অসামান্য আত্মত্যাগের কারণে যিনি দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় "তৃণমূলের অকৃত্রিম অভিভাবক" হিসেবে এক অনন্য স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।এক দীর্ঘ পথচলা ​আরিফুর রহমান কাঞ্চনের রাজনীতিতে পদার্পণ ১৯৮৮ সালে ছাত্রদলে যোগদানের মধ্য দিয়ে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই দূরদর্শী নেতা ১৯৯৪ সালে থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় টানা দুই মেয়াদে সভাপতি এবং তৃতীয় মেয়াদে আহ্বায়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন।​ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় শেষ করে ২০০৪ সালে তিনি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মনোনীত হন। এরপর ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০১১ সালে বিপুল ভোটে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।​আরিফুর রহমান কাঞ্চনের রাজনৈতিক জীবন কোনো কুসুমাস্তীর্ণ পথ ছিল না। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি বারবার কারাবরণ করেছেন এবং চরম জুলুম-নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন। এমনকি ফ্যাসিবাদের রোষানলে পড়ে তার ব্যবসা-বাণিজ্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ​কিন্তু কোনো ঝড়-ঝাপ্টাই তাকে আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। দলের দুঃসময়ে যখন অনেকেই মাঠ ছেড়েছেন, তখন আরিফুর রহমান কাঞ্চন নিজের পৈতৃক জমি বিক্রি করে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শত কষ্টের মাঝেও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন, নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে সবার সুখ-দুঃখের ভাগীদার হয়েছেন।​নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী গণ-আন্দোলনে রাজপথে তার অবদান ছিল অগ্রগণ্য। প্রতিটি আন্দোলনে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে দিন-রাত এক করে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।​​আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের দাবির মুখে আরিফুর রহমান কাঞ্চন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এলাকার ভোটার ও সাধারণ জনগণের বিশ্বাস—একজন সৎ, শিক্ষিত এবং পরীক্ষিত নেতা হিসেবে তিনি নির্বাচিত হলে এই উপজেলা একটি আধুনিক মডেলে পরিণত হবে।​চেয়ারম্যান হিসেবে তার মূল লক্ষ্যসমূহ:​গ্রামীণ রাস্তাঘাট, কালভার্ট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ।এছাড়াও উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়ন ও রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাবমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলা হবে তার মূল লক্ষ। সর্বস্তরের মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক উপজেলা প্রশাসন গড়ে তোলা।​কটিয়াদীর সাধারণ ভোটার ও আমজনতার মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন যিনি ক্ষমতার চেয়ে জনগণের সেবাকে বড় করে দেখেন। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি—যিনি দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের বাঁচাতে এবং মানুষের কল্যাণে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি পর্যন্ত বিলিয়ে দিতে দ্বিধা করেননি, তার হাতেই উপজেলার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। আর এই বিশ্বাস থেকেই কটিয়াদীর সর্বস্তরের মানুষ এবার আরিফুর রহমান কাঞ্চনকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
গলাচিপা-দশমিনা সড়কের পরিবহন সংকট সমাধানে উদ্যোগের আশ্বাস নুরুল হক নুরের

গলাচিপা-দশমিনা সড়কের পরিবহন সংকট সমাধানে উদ্যোগের আশ্বাস নুরুল হক নুরের

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার ঘোষণা, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকের ইঙ্গিতপটুয়াখালীর গলাচিপা-দশমিনা সড়কে দীর্ঘদিন ধরে চলমান পরিবহন সংকট ও যাত্রী দুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। পাশাপাশি সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, ঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।এক বিবৃতিতে নুরুল হক নুর বলেন, গলাচিপা-দশমিনা সড়কে পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও উদ্বেগ তাঁর নজরে এসেছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পরিবহন মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাঁর নির্বাচনী এলাকার যেসব মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাঁর বিশেষ প্রতিনিধি আবু নাঈম-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।নুরুল হক নুর বলেন, “আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, ইনশাআল্লাহ।” স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে গলাচিপা-দশমিনা সড়কে যাত্রীসেবা স্বাভাবিক হবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। একই সঙ্গে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ঘোষিত সহায়তাও দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

কোন পোস্ট নেই !
কটিয়াদী উপজেলাকে আধুনিক মডেলে রূপ দিতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরিফুর রহমান কাঞ্চন

কটিয়াদী উপজেলাকে আধুনিক মডেলে রূপ দিতে চান চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরিফুর রহমান কাঞ্চন

​নির্বাচনের হাওয়া বইছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন জমজমাট। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এখন ভোটের হিসাব-নিকাশ। তবে এবারের নির্বাচনে সাধারণ ভোটার ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মুখে মুখে যার নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আরিফুর রহমান কাঞ্চন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সততা, একনিষ্ঠতা আর অসামান্য আত্মত্যাগের কারণে যিনি দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় "তৃণমূলের অকৃত্রিম অভিভাবক" হিসেবে এক অনন্য স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।এক দীর্ঘ পথচলা ​আরিফুর রহমান কাঞ্চনের রাজনীতিতে পদার্পণ ১৯৮৮ সালে ছাত্রদলে যোগদানের মধ্য দিয়ে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই দূরদর্শী নেতা ১৯৯৪ সালে থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় টানা দুই মেয়াদে সভাপতি এবং তৃতীয় মেয়াদে আহ্বায়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন।​ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় শেষ করে ২০০৪ সালে তিনি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মনোনীত হন। এরপর ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০১১ সালে বিপুল ভোটে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।​আরিফুর রহমান কাঞ্চনের রাজনৈতিক জীবন কোনো কুসুমাস্তীর্ণ পথ ছিল না। বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি বারবার কারাবরণ করেছেন এবং চরম জুলুম-নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন। এমনকি ফ্যাসিবাদের রোষানলে পড়ে তার ব্যবসা-বাণিজ্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ​কিন্তু কোনো ঝড়-ঝাপ্টাই তাকে আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। দলের দুঃসময়ে যখন অনেকেই মাঠ ছেড়েছেন, তখন আরিফুর রহমান কাঞ্চন নিজের পৈতৃক জমি বিক্রি করে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শত কষ্টের মাঝেও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন, নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে সবার সুখ-দুঃখের ভাগীদার হয়েছেন।​নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী গণ-আন্দোলনে রাজপথে তার অবদান ছিল অগ্রগণ্য। প্রতিটি আন্দোলনে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে দিন-রাত এক করে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।​​আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের দাবির মুখে আরিফুর রহমান কাঞ্চন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এলাকার ভোটার ও সাধারণ জনগণের বিশ্বাস—একজন সৎ, শিক্ষিত এবং পরীক্ষিত নেতা হিসেবে তিনি নির্বাচিত হলে এই উপজেলা একটি আধুনিক মডেলে পরিণত হবে।​চেয়ারম্যান হিসেবে তার মূল লক্ষ্যসমূহ:​গ্রামীণ রাস্তাঘাট, কালভার্ট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ।এছাড়াও উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়ন ও রাজনীতির নেতিবাচক প্রভাবমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলা হবে তার মূল লক্ষ। সর্বস্তরের মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিমূলক উপজেলা প্রশাসন গড়ে তোলা।​কটিয়াদীর সাধারণ ভোটার ও আমজনতার মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন যিনি ক্ষমতার চেয়ে জনগণের সেবাকে বড় করে দেখেন। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি—যিনি দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের বাঁচাতে এবং মানুষের কল্যাণে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি পর্যন্ত বিলিয়ে দিতে দ্বিধা করেননি, তার হাতেই উপজেলার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। আর এই বিশ্বাস থেকেই কটিয়াদীর সর্বস্তরের মানুষ এবার আরিফুর রহমান কাঞ্চনকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন।

গলাচিপা-দশমিনা সড়কের পরিবহন সংকট সমাধানে উদ্যোগের আশ্বাস নুরুল হক নুরের

গলাচিপা-দশমিনা সড়কের পরিবহন সংকট সমাধানে উদ্যোগের আশ্বাস নুরুল হক নুরের

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার ঘোষণা, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকের ইঙ্গিতপটুয়াখালীর গলাচিপা-দশমিনা সড়কে দীর্ঘদিন ধরে চলমান পরিবহন সংকট ও যাত্রী দুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। পাশাপাশি সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি, ঝড় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।এক বিবৃতিতে নুরুল হক নুর বলেন, গলাচিপা-দশমিনা সড়কে পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও উদ্বেগ তাঁর নজরে এসেছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে জেলা প্রশাসন, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পরিবহন মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাঁর নির্বাচনী এলাকার যেসব মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাঁর বিশেষ প্রতিনিধি আবু নাঈম-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।নুরুল হক নুর বলেন, “আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, ইনশাআল্লাহ।” স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে গলাচিপা-দশমিনা সড়কে যাত্রীসেবা স্বাভাবিক হবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। একই সঙ্গে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ঘোষিত সহায়তাও দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

নাটোরে হাসপাতালে মব সৃষ্টি ও চিকিৎসককে মারধর: প্রধান আসামি গ্রেফতার

নাটোরে হাসপাতালে মব সৃষ্টি ও চিকিৎসককে মারধর: প্রধান আসামি গ্রেফতার

নাটোরে সরকারি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মব (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সৃষ্টি, ভাঙচুর ও কর্তব্যরত চিকিৎসককে মারধরের ঘটনার প্রধান আসামি মোঃ সাকিব তরফদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল নাটোর সদর থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই নাটোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র (ম্যাটারনিটি হাসপাতাল)-এ একটি নবজাতক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক হাসপাতালে তাণ্ডব চালায়। তারা হাসপাতালের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে। একপর্যায়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহাবুজ্জামানকে মারধর করে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও সহিংস ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে।পরবর্তীতে এই ঘটনায় ভুক্তভোগী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ শাহাবুজ্জামান বাদী হয়ে নাটোর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে নাটোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামলাটি রুজু করেন।নাটোর জেলা পুলিশ মিডিয়া সেল জানায়, মামলা দায়েরের পরপরই আসামিদের গ্রেফতারে তৎপর হয় পুলিশ। নাটোর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে মামলার প্রধান আসামি মোঃ সাকিব তরফদারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত সাকিব নাটোর সদরের আগদিঘা খাঁ পাড়া এলাকার মৃত শাহজাহান তরফদারের ছেলে।নাটোর থানার পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, হাসপাতালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী ও চিকিৎসকের ওপর হামলাকারী বাকি আসামিদের সনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এবং হাসপাতালের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।